ফলের পুষ্টিগুণ ও কোন ফল খেলে কি উপকার হয়


বিভিন্ন ধরনের ফলে থাকে বিভিন্ন পুষ্টিগুন, জেনে নেয়া যাক কিছু ফলের পুষ্টিগুণ:

গ্রীষ্মকালে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ফল দেখা যায়। বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের রসালো ও মিষ্টি, সুগন্ধি ফল হয়ে থাকে । বিভিন্ন ফলের বিভিন্ন পুষ্টিগুণ থাকে। বয়স, শারীরিক অবস্থা, অসুস্থতা নির্বিশেষে, নিয়মিত এবং সঠিক পরিমাণে ফল খাওয়া অনেক শারীরিক অসুস্থতার জন্যও উপকারী। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলেন, ফলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটি রান্না করতে হয় না এবং সব ফলের মধ্যে বেশি পানি থাকে। অতএব, এটি গরম আবহাওয়ায় শরীরের পানিশূন্যতা পূরণে সাহায্য করে। ফলের মধ্যে ভোজ্য শক্তি থাকে, যা শরীর থেকে ক্ষতিকর চর্বি বের করে দেয়, তাই ফল সবার জন্য ভালো। 

এতে শরীরিক পুষ্টিগুণ রয়েছে   এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । বিশেষ করে রঙিন ফলের মধ্যে লাইকোপেট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা বিষাক্ত পদার্থ দূর করে। ফল শরীর এবং শরীরের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করতে সাহায্য করে। 

এবার জেনে নেয়া যাক বিভিন্ন ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে:

আামের পুষ্টিগুণ


আামের পুষ্টিগুণ:

১০০০ থেকে ১৫০০ আইইউ ভিটামিন এ থাকে ১০০ গ্রাম আমে। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা আমে ০.৫ গ্রাম খনিজ লবণ থাকে। পাকা আমে ভিটামিন বি -১ এবং বি -২ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে খনিজ লবণ, ভিটামিন বি, ই, সেলেনিয়াম, এনজাইম, ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড। পাকা আমের মধ্যে কাঁচা আমের চেয়ে বেশি চিনি থাকে। কাঁচা আম শরীরের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। লিভারের সমস্যায় কাঁচা আম খাওয়া উপকারী। এটি পিত্ত অ্যাসিডের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে। 

আম আয়রন এবং সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণে খুবই কার্যকরী। 
 আম রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। 
 ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে লড়াই করে। 
 ক্যান্সার কোষকে মারতে সাহায্য করে। 
 আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা শরীরকে জীবাণু থেকে রক্ষা করে।
 আমের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। 
 এটি চোখের চারপাশের শুষ্কতাও দূর করে। 
 অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার করে। 
 শরীরে নতুন রক্ত ​​তৈরিতে সাহায্য করে।
 আম আয়রনের ভালো উৎস। আয়রন এবং সোডিয়াম প্রচুর পরিমাণে রয়েছে।

এজন্যই আম কে ফলের রাজা বলা হয়। এতে রয়েছে অনেক পুষ্টি উপাদান যা শরীরকে সুস্থ রাখে।

কাঁঠালের পুষ্টিগুণ


কাঁঠালের পুষ্টিগুণ:

জাতীয় ফল কাঁঠালের প্রতিটি অংশই খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের কৃষি তথ্য সার্ভিসের মতে, কাঁঠালের প্রচুর শক্তি রয়েছে। কাঁঠালে চিনির পরিমাণ বেশি। কাঁঠাল একটি গ্রীষ্মকালীন ফল। পাকা কাঁঠালের চেয়ে কাঁচা কাঁঠালে ফাইবারের পরিমাণ অনেক গুণ বেশি। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কাঁচা কাঁঠাল বেশি উপকারী। কাঁঠালে থায়ামিন, আয়রন, রিবোফ্লাভিন, সোডিয়াম, জিংক, ক্যালসিয়াম এবং পটাসিয়াম সহ বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি রয়েছে। 

পাকা কাঁঠালের ক্যালোরি কন্টেন্ট প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৯০ কিলো ক্যালরি এবং ০.৯ গ্রাম প্রায় খনিজ লবণ রয়েছে । ১০০ গ্রাম কাঁঠালের মধ্যে ৩০৩ মিলি গ্রাম পটাশিয়াম আছে, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

  • কাঁঠাল ভিটামিন সমৃদ্ধ এবং বিশেষ করে মানবদেহের জন্য উপকারী। 
  • এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ থেকে মুক্তি দেয়। 
  • কাঁঠালে রয়েছে  ভিটামিন সি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি মাড়ি শক্তিশালী করে।
  • কাঁঠালে প্রায় ৯০ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট থাকে।
  • কাঁঠালে চর্বি বা কোলেস্টেরলের পরিমাণ অনেক কম থাকে।
  • রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে কাঁচা কাঁঠালের জুড়ি নেই।
  • প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে কাঁঠালে যা রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।
  • এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা বলিরেখা বা বয়সের ছাপ কমায়।
  • এটি ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস সমৃদ্ধ যা আলসার, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধ করতে পারে।
  • কাঁঠালের মধ্যে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরকে ক্ষতিকর ফ্রির‌্যাডিক্যালস থেকে রক্ষা করে। কাঁঠাল ঠান্ডা-কাশি প্রতিরোধে, দুশ্চিন্তা এবং নার্ভাসনেস কমাতে খুবই কার্যকরী।
  • কাঁঠালের খনিজ উপাদান আয়রন এবং রক্তসল্পতা পূরণ করে । ম্যাঙ্গানিজ রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
  • ছয় মাস বয়স থেকে, মায়ের দুধের সাথে কাঁঠালের রস দেওয়া শিশুর ক্ষুধা কমাতে এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব পূরণ করতে সাহায্য করে।
  • প্রতিদিন প্রায় ২০০ গ্রাম পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী মহিলা ও ভ্রূণের সব ধরনের অপুষ্টি দূর হয়।

সতর্কতা:

যাদের ডায়াবেটিস আছে এবং যাদের হজমের সমস্যা আছে তাদের কাঁঠাল খাওয়ার সময় একটু বেশি সতর্ক হওয়া দরকার।
লিচুর পুষ্টিগুণ


লিচুর পুষ্টিগুণ:

লিচু একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু ফল। ফলের রসালো অংশ তৃষ্ণা মেটাতে সাহায্য করে। কাশি, পেটে ব্যথা এবং টিউমারের বৃদ্ধি রোধে লিচু খুবই উপকারী। প্রতি ১০০ গ্রাম লিচুতে ৬১ কিলো ক্যালরি খাদ্য শক্তি, ০.৭০ মিলিগ্রাম আয়রন ও ১৩.৬০ গ্রাম শর্করা, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৩১ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ১.১০ গ্রাম আমিষ থাকে।

এই ফল টিউমার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
 হার্টকে সুরক্ষা দেয়, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।
 লিচুতে রয়েছে বিশেষ ফাইটোকেমিক্যাল; যা চোখকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
 চোখের ছানি পড়ার সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
 লিচুর মধ্যে উপস্থিত ভিটামিন ‘এ’ রাতকানা বা কর্ণিয়াল রোগ, চোখ ওঠা, ফোলা এবং চোখের কোণে লাল হওয়া নিরাময় করে।
 লিচুতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে, যা বিশেষ করে হজমের জন্য কাজ করে।
 লিচুর মধ্যে অনেক পানি থাকায়, ফাইবারের পাশাপাশি ফ্যাট কম, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।
 স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। 
 লিচির  অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
 লিচু শরীর ঠান্ডা করে। তৃষ্ণা নিবারণ করে এবং শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে।
 লিচু হৃদরোগীদের এবং লিভারের রোগীদের জন্য উপকারী।
 লিচু ফল কাশি, পেটে ব্যথা, টিউমার বৃদ্ধি দমনে কার্যকর।

তরমুজের কিছু পুষ্টিগুণ

তরমুজের কিছু পুষ্টিগুণ:

তরমুজে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন, পটাশিয়াম, লাইকোপেন এবং পানি। অধিক ঘাম ও তৃষ্ণা নিবারণ করতে তরমুজ খুবই কার্যকরী। কাজের কারণে আপনি যতই ক্লান্ত হোন না কেন, তরমুজের রস পান করলে ক্লান্তি দূর হবে।

১০০ গ্রাম পাকা তরমুজের মধ্যে ৯২ থেকে ৯৫ গ্রাম পানি থাকে এবং ০.২ গ্রাম ফাইবার, ০.৫ গ্রাম আমিষ, ০.২ গ্রাম ফ্যাট, ১৫ থেকে ১৬ মিলিগ্রাম ক্যালোরি থাকে। এ ছাড়া তরমুজে রয়েছে ১২ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ১০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৩.৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৭.৯ মিলিগ্রাম আয়রন, ০.২ গ্রাম খনিজ,  ০.২ মিলিগ্রাম নিয়াসিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি এবং ভিটামিন বি-২।

ঠাণ্ডা পানিতে চিনি মিশিয়ে তরমুজের বীজ পান করলে লিভার পরিষ্কার থাকে।
 যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে, তাই একে প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা বলা হয়।
 তরমুজ নিয়মিত খাওয়ার ফলে ফুসফুসের ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। 
 চোখ ভালো থাকে এবং চোখের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
 তরমুজ  ডিহাইড্রেশন দূর করে।
 তরমুজে উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড পেশী স্বাস্থ্যের জন্য কার্যকর।
 তরমুজে উপস্থিত ভিটামিন এ এবং সি ত্বক ও চুলকে প্রাকৃতিকভাবে সুন্দর রাখে।
 হজমের সমস্যা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

কমলার পুষ্টিগুণ

কমলার পুষ্টিগুণ:

আমাদের শরীরে ভিটামিন সি এর দৈনন্দিন প্রয়োজনীয়তার প্রায় সবটুকু একটি কমলা থেকে পাওয়া যায়। ১০০ গ্রাম কমলায় রয়েছে ৩০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম,  ২৩ মিলিগ্রাম ফসফরাস,  ভিটামিন বি ০.৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৪৯ মিলিগ্রাম এবং ৩৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম। কমলায়  ৮০ ক্যালরি থাকে, যা শক্তি প্রদান করে এবং শক্তির পর্যায়গুলির জন্য জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। দৈনিক পটাশিয়ামের ৭ শতাংশ কমলা দিয়ে যোগ করা সম্ভব, যা শরীরের তরলের ভারসাম্য রক্ষার জন্য অপরিহার্য।

কমলা ত্বকের সজীবতা বজায় রাখে।
➥ কমলায় উপস্থিত বিটা ক্যারোটিন শরীরের কোষের ক্ষতি রোধ করতে সাহায্য করে।
➥ এতে থাকা ক্যালসিয়াম দাঁত ও হাড় গঠনে সাহায্য করে। ম্যাগনেসিয়ামের উপস্থিতির কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত হয়।
➥ ওজন কমাতে সাহায্য করে ।
➥ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে, কারণ এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
➥ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে কমলা।
➥ আপনি যদি ভালো ফাইবার পেতে চান, তাহলে আপনার শুধু কমলার রস নয়, কোষের স্তর এবং সুতার মতো জিনিসও খেতে হবে। 
➥ কমলার ৯০ শতাংশেরও বেশি ভিটামিন সি এবং  ১৫ শতাংশ প্রায় ফাইবার।
➥ এতে রয়েছে পটাশিয়াম, যা কিডনি রোগ নিরাময় করে।

পেঁপের পুষ্টিগুণ


পেঁপের পুষ্টিগুণ:

পেঁপে পুষ্টির দিক থেকে অন্যান্য অনেক ফলের চেয়ে এগিয়ে। তাই পেঁপের অপর নাম পাওয়ার ফ্রূট। কারণ এতে অনেক রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা রয়েছে। এটি খুব জনপ্রিয় কারণ এটি সহজেই পাওয়া যায় এবং কম দামে পাওয়া যায়। পেঁপে কাঁচা বা রান্না করে খাওয়া যায়। কাঁচা পেঁপে সালাদ ও রান্নায় খাওয়া যায় এবং পাকা পেঁপে ফল হিসেবে খাওয়া যায়। পাকা পেঁপের রং, সুবাস ও স্বাদে অতুলনীয়।

➢ পেঁপে ওজন কমায়, ত্বক পরিষ্কার করে। 
➢ পেঁপেতে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপকারী উপাদান সমৃদ্ধ।
➢ স্বাস্থ্যের পাশাপাশি চুল এবং ত্বকের জন্যও ভালো।
➢ পেঁপে ভিটামিন এ, সি এবং ই সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
➢ পেঁপে ভিটামিন এ সমৃদ্ধ যা চোখের জন্য উপকারী।
➢ এতে প্রচুর পরিমাণে উপকারি এনজাইম রয়েছে যা খাবার হজমে সাহায্য করে।
➢ পেঁপেতে কোলেস্টেরল নেই।
➢ প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ধমনীতে কোলেস্টেরল তৈরি হতে দেয় না। 
➢ পেঁপে ডায়াবেটিস হওয়া থেকে রক্ষা করে।
➢ এর ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং কপার সমৃদ্ধ হওয়ায় পেঁপে হাড় মজবুত করে।
➢ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
➢ শ্বাস তন্ত্রের প্রদাহে পেঁপে উপকারী।
➢ ত্বকের কালোদাগ দূর করে।
বেলের কিছু পুষ্টিগুণ


বেলের কিছু পুষ্টিগুণ:

বেল ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম সমৃদ্ধ। প্রতি ১০০ গ্রাম বেলেতে রয়েছে ৮৭ কিলোক্যালরি খাদ্য শক্তি, ৭৭.৫ গ্রাম পানি, ১৮.৮ গ্রাম শর্করা, ২.৬ গ্রাম আমিষ, ০.২ গ্রাম ফ্যাট, ৩৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৬ মিলিগ্রাম আয়রন, ০.০৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-১,  ভিটামিন ‘বি-২’  ০.০২ মিলিগ্রাম এবং ভিটামিন সি ৯ মিলিগ্রাম।

 গরমে বেলের শরবত শরীরের ক্লান্তি দূল করে।
➯ বেলের ভিটামিন 'এ' চোখের বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলিকে পুষ্ট করে।
➯ কাঁচা বেল আমাশয় ও ডায়রিয়া নিরাময় করে।
➯ পাকস্থলীর জন্য উপকারী।
➯ পাইলস আছে যাদের তাদের জন্য বেল উপকারী।
➯ কোলন ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায়।
➯ বেলপাতার রস এক চামচ, সর্দি ও জ্বর-জ্বর ভাব দূর করে।

আরও পড়ুন: সুস্থ থাকার কিছু কার্যকর উপায় ও পরামর্শ

বি:দ্র:  যাদের কিডনি রোগ আছে, তাদের ফল খেতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।


রেফারেন্স:
বিবিসি নিউজ
দৈনিক প্রথম আলো

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন